fbpx

brands swiss https://it.upscalerolex.to. this is an online replica watch store to buy quality https://montrereplique.to. fr.upscalerolex.to contact up to 30 first copy watches suppliers. https://www.replicasrelojes.to/ are all found here. es.wellreplicas.to of men's wrist watches was officially launched at the first time. tooth write plus carving skill might focus on a astonishing superior with high quality es.upscalerolex.to. pt.watchesbuy.to is also available with delicate watches for women. pt.wellreplicas.to for sale in usa recognized command with dining room table ceremony. welcome to our datewatches.com shop. best rolex replica with professional customer services.

একজন মুসলিমের পোষাক কেমন হওয়া উচিত?

পোষাকের ব্যাবহার নিয়ে শেখ সাদীর গল্পটা আমাদের জানা আছে। সেই গল্প থেকে আমরা শিখেছি, সমাজে গ্রহনযোগ্যতার জন্য পোষাকের ভুমিকা আছে। কারণ মানুষের ব্যক্তিত্ব বোঝা যায় তার পোষাক-আশাকে। আর বেশিরভাগ মুসলিম পুরুষ, ইসলামী পোশাকটি অনুসরণ করেন না।

১.
সালটা সম্ভবত ২০০৪ হবে। তখন বুয়েটের আই আই সি টি এর অধীনে ডিপ্লোমা কোর্স করছিলাম। আমাদের একজন টিচার ছিলেন, ড: লতিফুল হক উনি ডাটাবেজ এর ক্লাস নিতেন। স্যার সব সময় বড় পাগড়ী আর পাঞ্জাবী-পায়জামা পরতেন। উনাকে দেখে একজন ফার্স্ট ক্লাস ইঞ্জিনিয়ার নয় পুরা দস্তর মাসজিদের ইমাম বা মৌলভী বলে যে কেও ভুল করতে পারে।

একদিন স্যারের সংগে শ্যাকলক ফ্রিজের দোকানে দেখা হয়েছিল। সেলসম্যান গুলা ঠিক যেন উনাকে ওইভাবে পাত্তা দিচ্ছিলেন না। তারা ভাবছিল, হুজুর বেটা আবার এত দামী ফ্রিজ কিনবে কিভাবে?

ব্যাপারটা দেখে আমার খারাপ লাগলো। উনি চলে যেতেই, দোকানের যে সেলস ম্যানেজার ছিলেন তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আচ্ছা ভাই বলেন তোঃ উনাকে দেখে আপনার কি মনে হয়?

উত্তর দিল, সম্ভবত মাদ্রাসার শিক্ষক বা তাবলীঘি করে।

আমি বললাম, পোশাক দেখে কি সব চেনা যায়? উনি একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার এবং পি এইচ ডি করা বুয়েটের শিক্ষক!

২.
আমাদের সেক্টর ৪ এর মাসজিদের একজন বয়স্ক মুসল্লী একদিন ডেকে বললেনঃ আপনাকে দেখি নামায টামায ভালোই পড়েন, কিন্তু টি-শার্ট আর প্যান্ট পরেন কেন? হাফ টিশার্ট পরে নামায পড়া মাকরুহ আপনি জানেন না? পাঞ্জাবী পরতে পারেন না?

৩.
একবার দেশের বাড়ীতে যাবার পথে অনেক রাত হওয়াতে গ্রামে না যেতে পেরে শহরে ছিলাম। ফজর এর ফর‍য সলাত শেষে সালাম ফিরাতেই ডান দিকে বসা মুরুব্বি আমাকে বললেনঃ
নামাযে তো বেশ পাবন্দি, কিন্তু ব্লাউজ এর মত পোশাক পরে এসেছেন কেন? পাঞ্জাবি পরতে পারেন না?

৪.
একবার জুমু’আর সলাত শেষে বের হতেই পরিচিত একজন আমাকে দেখে বলল, ভাই কি অফিস থেকে আসলেন? (বলা বাহুল্য আমি টি শার্ট আর জিন্স পরা ছিলাম)। উনার ধারনা টি-শার্ট, প্যান্ট পরে অফিসে যাইতে পারে কিন্তু মাসজিদে নামায পড়তে নয়!

৫.

প্রথম যেদিন কাবার সামনে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করেছিলাম, সেদিন বেশ আবেগিত হয়ে পড়েছিলাম। আমার মনে হয়, প্রথমবার, দ্বিতীয়বার, তৃতীয়বার, ১০০ বার গেলেও ভিন্ন ভিন্ন ভাবে আবেগ কাজ করে যেন মনে হয় আগে কখনো দেখি নাই। বিশেষ কারণবশতঃ একদিন টি-শার্ট পরে গিয়েছিলাম সলাত আদায় করতে। ওই পোষাকে নিজেকে মিসকিন মনে হচ্ছিল! আল্লাহর ঘরের একেবারে কাছাকাছি, আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে এই পোষাকে সলাত আদায় …আর নয়! ব্যস তারপর জানার চেষ্টা শুরু করলাম আসলেই ইসলামে পুরুষদের পোশাক কেমন হওয়া উচিত। তাছাড়া ইসলামেও পোষাকের গুরুত্ব আছে এবং কেমন হবে তার একটা বিবরন সুন্নাহ তে পাওয়া যায়।

ডঃ আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স একটা লেকচার পেলাম যেখানে উনি মুসলিম পুরুষদের পোষাকের বর্ণনা দিয়েছেন যার সার-সংক্ষেপ ভাষান্তর করে বর্ণনা করা হলো। [১]
 
এখানে বলছি মুসলিম পুরুষদের পোষাকের কথা। কিন্তু মুসলিম পুরুষরা আজ সেটার অনুসরণ করে না। এটাই বাস্তবতা যে, আজ বেশিরভাগ মুসলিম পুরুষ ইসলামী পোশাকটি অনুসরণ করেন না।
 
আমরা জানি আওরাত (عورة) কি। পুরুষদের আওরাত নাভি এবং হাঁটুর মধ্যবর্তী অংশ কে বোঝায় – শুধু নাভিও নয় বা শুধু হাঁটুও নয়।

এখন পুরুষেরা এমন প্যান্ট পরেন (আমরা টার্কিশ প্যান্টের কথা বলছি না বা পাকিস্তানি শালওয়ারের কথা বলছি না), আমরা বলছি পশ্চিমা প্যান্টের কথা – ওয়েস্টার্ন প্যান্টস এর কথা।

ফ্যাশন নিয়ে পশ্চিমা দর্শন হচ্ছেঃ

❝তোমার যদি থাকে, তাহলে তা প্ৰদৰ্শন করো❞

❝নিজেকে যদি দেখতে ভালো দেখায়, তাহলে সবার কাছে নিজের সৌন্দর্য জাহির করো❞

এটি পশ্চিমা ফ্যাশনের দর্শন। এক কোথায় #১ উদ্দেশ্য হচ্ছে আওরাত প্রকাশ করা।

প্যান্টগুলি এমন ভাবে কাটা এবং সেলাই করা হয় যেন শরীরের সাথে আঁটসাঁট হয়ে লেগে থাকে। আওরাত এমনিতেই বের হয়ে পড়ে। আপনি মসজিদে গিয়েছেন সলাত আদায় করতে, রুকুতে গিয়েছেন ওর অমনি আপনার আওরাত বের হয়ে গেছে। আউযুবিল্লাহ! আপনার পিছনের লোক তাকালেই দেখবে আপনার আওরাত বেরিয়ে পড়েছে…আউযুবিল্লাহ!

❝হে বনী-আদম শয়তান যেন তোমাদেরকে বিভ্রান্ত না করে; যেমন সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছে এমতাবস্থায় যে, তাদের পোশাক তাদের থেকে খুলিয়ে দিয়েছি-যাতে তাদেরকে লজ্জাস্থান দেখিয়ে দেয়।❞ (৭:২৭)

শয়তানের কাজ হচ্ছে মানব জাতির কাপড় খুলে আওরাত প্রকাশ করে দেওয়া। [২]

আমরা জানি সলাত শুরু করার শর্ত হ’ল “সাতরুল আওরাত” অথচ আমরা এমন ধরণের প্যান্ট পরে সলাত আদায় করতে আসছি তাতে আমাদের আওরাত প্রকাশ হয়ে পড়ছে।

সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে যেসব পুরুষ ইসলামিক বিধিনিষেধ মেনে চলার চেষ্টা করে, সে কিন্তু চাই যে তার স্ত্রী বা বোন বা মা হিজাব/বোরকা পরবেন। এখন যদি তার স্ত্রী হিজাবের সাথে স্প্যান্ডেক্স আউটফিট (রসিং স্কেচাররা যেটা পরে সেই রকম আর কি – একদম শরীরের সাথে আঁটসাঁট হয়ে লেগে থাকে এমন ভাবে যেন কেও যেন শরীরের উপর কাপড়ের ডিজাইনে রং করে দিয়েছে!) পরে বের হতে চাই তবে সে সেটা অনুমতি দিবে না বা পছন্দ করবে না । অথচ নিজের বেলায় এটা কোন সমস্যা নয়! এটা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড যেটা কিনা এই উম্মাহর জাহিলিয়াতি ছাড়া কিছুই নয়!

তাই, একজন পুরুষের সেই পোশাক পরা উচিত যে পোশাকে তাকে মার্জিত লাগে।

  • একদম আঁটসাঁট নয় যাতে শরীরের গড়ন প্রকাশ হয়ে পড়ে এবং ঢিলেঢালা পোষাক উত্তম।
  • আর ‘উরফ বা লোকাল কাস্টমস অনুযায়ী পোশাক পরাতে কোন সমস্যা আমি দেখি না যদি না তাহা বিধর্মীদের সাথে সাদৃশ্য (ধর্মীয় দিক থেকে) না হয়; যেমন শীত প্রধান দেশে জ্যাকেট কিম্বা মোটা শার্ট, ইত্যাদি পরাতে কোন সমস্যা নাই।
  • তবে হ্যাঁ, মুসলিমদের নিজস্ব আইডেন্টিটির জন্য বিশেষ কোন পোশাক পরা ঠিক আছে। যেমন, ভারতে মুসলিমরা একটা রুমাল জাতীয় জিনিস গলাতে পেছিয়ে রাখে, কিম্বা টুপি কিম্বা আরবদের ‘ইকল (রিং এর মত যেটা মাথার উপর রাখে) ইত্যাদি।
  • কেও যদি বলে, টুপি না পরলে কুর’আন পড়া যাবেনা তাহলে এটা বাড়াবাড়ির অন্তর্ভুক্ত হবে। যেটা মোটেও কাম্য নয়।
  • আবার কেও যদি ইস্ত্রি না করে শার্ট কিংবা থোব বা জুব্বা পরে কারন নাবী মুহাম্মদ صلى الله عليه وسلم কখোনই ইস্ত্রি করা জিনিস পরে নাই, তাহলেও বাড়াবাড়ি হবে।

এক কথায় কোন মুসলিম যদি ইসলামে যতটুকু করা ফরয তার সংগে সংগতি রেখে পরিছন্ন ও পরিপাটী পোষাক না পরে, তাহলে মুসলিম কমিউনিটিতে তার গ্রহনযোগ্যতা কমে যাবে বা থাকবে না।

সুত্রঃ

[১] এটা ডঃ বিলাল ফিলিপ্স এর ক্লাস লেকচার “মুসলিম পুরুষের পোষাকের প্রয়োজনীতা” এবং “একজন তালিবে-ইলম বা দা’ঈ এর পোষাক কেমন হওয়া উচিত সেই প্রশ্নের উত্তর” এর বাংলাতে সার-সংক্ষেপ। হুবুহু ভাষান্তর নয়।

[২] প্রেক্ষাপটের কারনে লেখকের নিজের সংযোজন

[৩] প্রচ্ছদ ছবি সৌজন্যঃ শেফার্ডস হজ্জ প্যাকেজের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সালেহ ভাই। 

0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop