fbpx

brands swiss https://it.upscalerolex.to. this is an online replica watch store to buy quality https://montrereplique.to. fr.upscalerolex.to contact up to 30 first copy watches suppliers. https://www.replicasrelojes.to/ are all found here. es.wellreplicas.to of men's wrist watches was officially launched at the first time. tooth write plus carving skill might focus on a astonishing superior with high quality es.upscalerolex.to. pt.watchesbuy.to is also available with delicate watches for women. pt.wellreplicas.to for sale in usa recognized command with dining room table ceremony. welcome to our datewatches.com shop. best rolex replica with professional customer services.

মীকাত কী?

What is Miqat

হজ্জ বা উমরাহ করার জন্য সফর করেছেন, তাহলে মীকাত অতিক্রম করার আগেই ইহরাম পরে নিয়্যাত করতে হবে। ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ না করে মীকাত অতিক্রম করা যাবে না। প্লেনে ভ্রমণ করার জন্য অনেকেই এটি সম্পর্কে অবগত নন। এই মীকাত কী?

শারীয়াতের পরিভাষায় – মীকাত (ميقتا) অর্থ নির্ধারিত স্থান। মক্কাকে কেন্দ্র করে ৫ টি মীকাত আছে, যে গুলি অতিক্রম করার আগেই ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করতে হবে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী ﷺ ইহ্‌রাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মদিনাবাসীদের জন্য যুল-হুলায়ফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্‌ফা, নজ্‌দবাসীদের জন্য কারনুল-মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। হজ্জ ও ‘উমরা নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসী সকলের জন্য উক্ত স্থানগুলো মীকাতরূপে গণ্য এবং যারা এ সব মীকাতের ভিতরে (অর্থাৎ মক্কার নিকটবর্তী) স্থানের অধিবাসী, তারা যেখান হতে হজ্জ নিয়্যাত করে বের হবে (সেখান হতে ইহরাম বাঁধবে)। এমন কি মক্কাবাসী মক্কা থেকেই হজ্জ ইহরাম বাঁধবে। [সহীহ বুখারী]

১. যুল হুলাইফাহ
মদিনা থেকে ৯ কিমি আর মক্কা থেকে ৪২৪ কিমি দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই মীকাত। আর এটি নির্ধারণ করেছিলেনঃ রাসুলুল্লাহ ﷺ । যারা মদিনাতে বসবাস করেন বা এই দিক থেকে মক্কাতে ভ্রমণ করেন তাদের মীকাত হচ্ছে যুল হুলাইফাহ। রাসুলুল্লাহ ﷺ বিদায় হজ্জ এর প্রাক্কালে এই মীকাত থেকেই ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করেছিলেন। বর্তমানে এখানে বিশাল একটি মাসজিদ আছে যেটার নাম মাসজিদ আশ-শাজারাহ।

২. যাতু ইরক
মক্কা থেকে ১১০ কিমি উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত এই মীকাত। এটি নির্ধারণ করেছিলেনঃ আমিরুল মুমিনীন উমার (রাঃ) ।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন এ শহর দু’টি (কূফা ও বস্‌রা) বিজিত হল, তখন সে স্থানের লোকগন ‘উমর (রাঃ) এর নিকট এসে নিবেদন করল, হে আমীরুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদবাসীগণের জন্য (মীকাত হিসাবে) সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন কারন, কিন্তু তা আমাদের পথ থেকে দূরে। কাজেই আমরা কারন-সীমায় অতিক্রম করতে চাইলে তা হবে আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। ‘উমর (রাঃ) বললেন, তা’ হলে তোমরা লক্ষ্য কর তোমাদের পথে কারন-এর সম দূরত্ব-রেখা কোন্‌ স্থানটি? তারপর তিনি যাতু’ইরক মীকাতরূপে নির্ধারণ করেছেন। [সহীহ বুখারী]

যেসব হাজীগণ ইরান, ইরাক বা ওই দিক থেকে আসেন তাদের জন্য ইহরাম অবস্থায় প্রবেশের নির্ধারিত স্থান। বর্তমান সময়ে এখানে একটি মাসজিদ আছে যেন হাজী সাহেবগন স্বাচ্ছন্দ্যতার সহিত ইহরাম পরতে পারেন।

৩. কারনুল মানাজিল
মক্কা থেকে ৮২ কিমি দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত এই মীকাত। রাসুলুল্লাহ ﷺ নজদবাসীদের জন্য এটি নির্ধারণ করেছিলেন। আর তাছাড়া তায়েফ থেকে মক্কা যাবার সময় এখান থেকে ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করা যায়। এটি আস-সাইল আল-কাবির এ অবস্থিত এবং বর্তমানে এখানে একটি মাসজিদ আছে।

৪. ইয়া-লামলাম
মক্কা থেকে ১০৫ কিমি দূরে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত এই মীকাত। এটি ইয়েমেনবাসীদের রাসুলুল্লাহ ﷺ জন্য নির্ধারণ করেছিলেন। এই মীকাতটি আশ-শাফা এর কাছে অবস্থিত যেখানে একটি মাসজিদ আছে – মাসজিদ মীকাত ইয়া-লামলাম ।

৫. আল যুহফাহ

এটি মক্কা থেকে ১৭৯ কিমি দূরে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। শাম (সিরিয়া, প্যালেস্টাইন, জর্ডান বা এই দিক) থেকে আগত হাজীদের জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ নির্ধারণ করেছিলেন। এটি রাগিব নামে স্থানে অবস্থিতে যেখানে বর্তমানে একটি মাসজিদ আছে – মীকাত মাসজিদ মীকাত আল জুহফা।

মীকাত আর হারাম এর সীমানার মধ্যবর্তী জায়গাকে আরবীতে হিল বলা হয়। জেদ্দা, খুলাইস, এবং আল-যানুন হিল এলাকার মধ্যে অবস্থিত।

যে সমস্ত হাজীগণ এই হিল এলাকায় থাকেন কিংবা হিল এলাকা অতিক্রম করছেন, তাহলে সেক্ষেত্রে হারাম সীমানা অতিক্রম করার আগেই ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ: একজন ব্যবসার উদ্দেশ্যে জেদ্দা থেকে সফর করছেন কিন্তু ব্যবসা শেষে উমরাহ করতে চান, সেক্ষেত্রে জেদ্দা থেকে অথবা হারাম সীমানা অতিক্রম করার আগেই ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করবেন।

হারামের ৬ টি সীমানা: তানীম, আদাত লাবান, ওয়াদি নাখলা, আরাফাত, জি’রানাহ, হুদাইবিয়াহ

আবার যদি কেও মাসজিদুল হারামে সলাত আদায় কিংবা আত্মীয় / বন্ধু দের সাথে দেখা করতে চান, সেক্ষেত্রে ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করতে হবে না। কিন্তু হারাম এলাকায় প্রবেশের পর যদি উমরাহ করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে হারাম সীমানা থেকে ইহরাম অবস্থায় প্রবেশ করতে হবে।

আগে হজ্জ বা উমরাহর রুট ছিল স্থল বা সাগর পথে। ভাবুন তো, কয়েক মাস ভ্রমন করে অবশেষে মীকাতে এসে পোঁছালেন আর তারপর ইহরাম পরে আবার পথ পাড়ি দিলেন হজ্জ বা উমরাহর উদ্দেশ্যে মক্কাতে। সেই অনুভুতি এখন আর পাওয়া সম্ভব নয়। এখন তো হাজী সাহেবগন প্লেন উঠার আগেই ইহরাম পরে নেন আর প্লেন মীকাত অতিক্রম করার ঘোষনা দিলেই নিয়্যাত করে নেন।

Leave a Reply

two × 5 =

0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop